মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অর্জন

আমাদের অর্জন সমূহ :

 

** কৃষি বিপণন অধিদপ্তর হতে অত্যাবশ্যকীয় কৃষি পণ্যের বাজার দর ও বাজার তথ্য, দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক ভিত্তিতে সংগ্রহ, সংকলন ও সংরক্ষণ পূর্বক প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং এ সংক্রান্ত তথ্য সুবিধাভোগী যথা: কৃষক, ব্যবসায়ী, ভোক্তা, সরকারী-বেসরকারী সংস্থাসহ নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে ব্যবহারের জন্য নিয়মিতভাবে সরবরাহ করে আসছে। এছাড়া নিয়মিত প্রতি কর্মদিবসে বেলা ১১টার মধ্যে অত্র দপ্তরের Website: www.dam.gov.bd তে নিয়মিত জেলার নিত্য  প্রয়োজনীয় দ্রব্যের পাইকারী ও খুচরা বাজার দর, কৃষক প্রাপ্ত বাজার দর সরবরাহ করা হয়।

 

** কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত দেশের ৮৯২ টি বাজারকে প্রজ্ঞাপিত বাজার ঘোষণা করেছে। ** যার মধ্যে নড়াইল জেলায় প্রজ্ঞাপিত বাজারের সংখ্যা ১১ (এগার) টি। এ সকল বাজারের বিপণন ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে কৃষিপণ্য বাজার নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৬৪ (সংশোধিত ১৯৮৫) প্রয়োগের মাধ্যমে বাজারজাতকারীদের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ, লাইসেন্স প্রদান করে ননট্যাক্স রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের উদ্যোগ অব্যাহত আছে।

 

** কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বিভিন্ন ধরণের অত্যাবশ্যকীয়  কৃষি পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন  সংক্রান্ত তথ্য, চাহিদা ও যোগান নিরুপণ এবং কৃষিপণ্যের  উৎপাদন খরচ ও মূল্য বিস্তৃতি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ পূর্বক প্রতিবেদন প্রণয়ন করে সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করে থাকে।

 

** ভোক্তা পর্যায়ে কৃষিপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে পাইকারী পর্যায়ে ২-৫%, খুচরা পর্যায়ে ১০-১৫%( আলু ও মসলা জাতীয় পণ্য) ও ২০-২৫% (পঁচনশীল শাক-সব্জিতে)

 

** খাদ্যে ক্ষতিকারক ফরমালিন ও কার্বাইড, ফরমালিন ও কার্বাইড এর প্রভাব, খাদ্যে ফরমালিন চেনার উপায়, ফরমালিনের প্রভার কমানোর উপায়, কার্বাইড দিয়ে পাকানো ফল চেনার উপায় ও সাবধানতা অবলম্বন সংক্রান্ত পোস্টার, লিপলেট বিতরণ কার্যক্রম এবং সচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম অব্যাহত আছে। 

 

** কৃষকদের ন্যায্য মূল্য এবং ভোক্তা কর্তৃক সহনীয় মূল্যে কৃষি পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগে ৬ টি পাইকরী বাজার অবকাঠামো নির্মাণ করেছে।  তাছাড়া দেশের  উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় ১৫টি পাইকারী ও ৬০টি উপজেলায় ৬০টি গ্রোয়ার্স মার্কেট নির্মাণ করেছে। এ সকল বাজারে কৃষক ও ব্যবসায়ী সরাসরি তাদের পণ্য বিক্রয় করতে সক্ষম হচ্ছে। এ সকল বাজার হতে কৃষক/ ব্যবসায়ী যাতে সরাসরি ঢাকার বাজারে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারেন সে  জন্য ঢাকার গাবতলীতে ১টি সেন্ট্রাল মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। কৃষকগণের পণ্য বিক্রি ও পরিবহনের জন্য ৪৯০টি কৃষক বিপণন দল এবং ১টি ট্রাক, ৭টি কুল ভ্যান ও ১১টি কুল চেম্বার নির্মাণ করা হয়েছে। যা থেকে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।

 

** কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কৃষকদেরকে গ্রুপ/দল ভিত্তিক পণ্য উৎপাদন, বিপণন এর মরামর্শ প্রদান করে থাকেন। এছাড়া কৃষিপণ্যের উপযুক্ত মূল্য প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাজারের সাথে কৃষকদের সংযোগ স্থাপনে সহযোগিতা করে থাকেন।

 

** কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কৃষকদের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১২৬টি গুদামের ( চলমান-১১৫টি ) মাধ্যমে শস্যগুদাম ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

 

** যার মধ্যে নড়াইল জেলায় ০৪ টি গুদাম রয়েছে। যেখানে কৃষকগণ মৌসুমে তাদের পণ্য বিক্রি না করে গুদামে সংরক্ষণ করেন এবং বাজার মূল্যের ৮০% ব্যাংক ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে আর্থিক প্রয়োজন মিটিয়ে থাকেন। গড় মৌসুমে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেলে কৃষকগণ তাদের পণ্য বিক্রি করে ব্যাংক ঋণ পরিশোধের পরেও আর্থিক ভাবে লাভবান হয়ে থাকেন। বর্তমানে শস্যগুদাম ঋণ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter